Posts

Showing posts from June, 2023

এলএলবি ফাইনাল প্রশ্নপত্র ২০২০

Image

পুলিশি বা জিআর মামলা বিভিন্ন ধাপ (সংক্ষিপ্ত):

🎈Code of criminal procedure , 1898 🎈 ⭐ পুলিশি বা জিআর মামলা বিভিন্ন ধাপ (সংক্ষিপ্ত): ⭐১। CrPC এর ১৫৪ অনুসারে পুলিশের নিকট F.I.R দাখিল করতে হবে। ⭐২। ১৫৬ ধারা অনুসারে পুলিশ তদন্ত করবে। ⭐৩। ১৬১ ধারা অনুসারে পুলিশ সাক্ষীদের পরীক্ষা করবে। ⭐৪। অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করতে চাইলে ১৬৪ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট তা লিপিবদ্ধ করবে। ⭐৫। ১৭৩ ধারা অনুসারে পুলিশ অভিযোগপত্র বা চূড়ান্ত রিপোর্ট দিবে। ⭐৬। ১৯০ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রট মামলা আমলে নিবেন। ⭐৭। যদি পর্যাপ্ত কারন থাকে মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হওয়ার তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ২০৪ ধারা অনুসারে অভিযুক্তকে হাজির হওয়ার জন্য সমন বা পরোয়ানা দিবেন। ⭐৮। অভিযুক্ত হাজির হওয়ার পর, মামলার নথি ও দলিলাদি বিবেচনা করে ম্যাজিস্ট্রেট যদি অনুমান করেন অভিযুক্ত অপরাধটি করতে পারে তাহলে ২৪২ ধারা অনুসারে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করবেন সে অপরাধ স্বীকার করেন কিনা? ⭐৯। আর যদি ম্যাজিস্ট্রেট নথি ও দলিলাদি বিবেচনা করে মনে করেন অভিযোগটি ভিত্তিহীন তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ধারা ২৪১ক অনুসারে অব্যাহতি দিবেন। ⭐১০। অভিযুক্তকে অপরাধ স্বীকারের কথা জি...

Tax Clearance Certificate / TIN Certificate কেন এবং কি কাজের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়?

১) আমদানি রফতানির (IRC) লাইসেন্স পেতে। ২) আমদানির জন্য L/C খুলতে। ৩) সিটি কর্পোরেশন ও পৌরএলাকাতে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে। ৪) জমি, দালান, ফ্ল্যাট ইত্যাদি ক্রয়ের রেজিস্ট্রেশান করতে (অনিবাসি করদাতাদের ক্ষেত্রে নয়)। ৫) পণ্য বা সেবা সরবরাহ কাজের জন্য দরপত্র জমা দিতে। ৬) গাড়ি রেজিস্ট্রেশান, মালিকানা পরিবরতন, ফিটনেস নবায়ন করতে। ৭) ৫০০,০০০ টাঁকার উপরে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্টান হতে লোন নিতে। ৮) ক্রেডিট কার্ড নিতে। ৯) কোন পেশাদারি কাজের প্র্যাকটিস এর জন্য লাইসেন্স নিতে, যেমনঃ ডাক্তার, প্রকৌশলী, ইত্যাদি। ১০) কোন কম্পানির শেয়ারহোল্ডার হতে হলে। ১১) আইএসডি টেলিফোনে লাইন পেতে। ১২) বাণিজ্যিক কাজের জন্য গাস, বিদ্যুৎ এর লাইন পেতে। ১৩) ড্রাগ লাইসেন্স পেতে। ১৪) কোন ক্লাব এর সদস্য পদ পেতে। ১৫) কোন ব্যবসায়িক সংগঠনের সদস্য পদ নবায়ন করতে। ১৬) কোন দালান নির্মাণের প্লান অনুমদনের ক্ষেত্রে। ১৭) নিকাহ রেজিস্ট্রেশান লাইসেন্স পেতে। ১৮) জরিপ কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্টানের লাইসেন্স নবায়ন করতে। ১৯) বিমা সারভেয়ারদের লাইসেন্স নবায়ন করতে। ২০) বিমা কম্পানিএর এজেন্টদের সার্টিফিকেট নবায়ন করতে। ২১) ইট ভাটার আনুমদন বা লাইস...

দলের বিপক্ষে ভোটদান [Floor Crossing বা Political defection]: অনুচ্ছেদ- ৭০

দলের বিপক্ষে ভোটদান [Floor Crossing বা Political defection]: অনুচ্ছেদ- ৭০ কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হয়ে কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি, উক্ত দল থেকে পদত্যাগ করেন, অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, এর কারণে তার সংসদ সদস্যের আসন শুন্য হবে। এটাকে Floor-Crossing বা Political defection বলে। আমাদের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়া নিষিদ্ধ করেছে। অর্থাৎ সংসদে আপনি যে দল থেকে বা দলের প্রার্থী হিসেবে সদস্য হয়েছেন, সেই দলের বিরুদ্ধে সংসদে ভোট দিতে পারবেন না। সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তার পরিণতি হিসেবে সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে। যে দলের প্রার্থী হয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন, সে দল থেকে পদত্যাগ করলেও একই পরিণতি। সংসদ সদস্যপদ হারাবেন। পঞ্চদশ সংশোধনীর আগে সংসদে ভোটদান করা থেকে বিরত থাকলে, সেই বিরত থাকাকে দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়া হিসেবে ধরে নিয়ে ভোট না দেওয়ার জন্যও সদস্যপদ হারানোর বিধান ছিল। এখন সেটা আর নেই। কোনো বিষয়ে ভোটাভুটির সময় সংসদে অনুপস্থিত থাকলে এখন আর সদস্যপদ হারাতে হবে না।

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বিয়ে নিয়ে আইন কি বলে জানা উচিত সকলেরই

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বিয়ে নিয়ে আইন কি বলে জানা উচিত সকলেরি-- বিয়ে হলো একটি ধর্মীয় ও সামাজিক মিলবন্ধন। বিয়ের ক্ষেত্রে আইনের কিছু বিধান মেনে চলাও একটি জরুরি বিষয়। তবে আমাদের দেশে বিয়ের পদ্ধতি ও আইনগত স্বীকৃতি প্রত্যেক ধর্মের বিয়ে সংক্রান্ত ধর্মীয় বিধিবিধান এর উপর নির্ভর করে।।। বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৮৭% মানুষ মুসলমান। তাই এদেশের বেশীরভাগ মানুষের বিবাহ পদ্ধতিই ইসলামী বিধিবিধান মতই হয়ে থাকে। একজন মুসলিম ব্যক্তিকে অন্য ধর্মের ছেলে/ মেয়ে বিয়ে করার ক্ষেত্রে ইসলাম অবশ্য সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম কানুন বলে দিয়েছে। অন্যান্য ধর্মেও ভিন্ন ধর্মের ছেলে/ মেয়ের ভেতর বিয়ে সংক্রান্ত বিধান বর্ণিত হয়েছে। যেগুলো নিচে আলোচিত হলোঃ ইসলাম ধর্মের আলোকেঃ ১। একজন মুসলিম মেয়ে কোন অবস্থাতেই অন্য কোন ধর্মের কোন ছেলেকে বিয়ে করতে পারবে না যতক্ষণ না পর্যন্ত ঐ ছেলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করে। ২। একজন মুসলিম ছেলে কোন অবস্থাতেই অগ্নিপূজক কোন মেয়েকে বিয়ে করতে পারবে না যতক্ষণ না পর্যন্ত মেয়েটি মুসলিম হচ্ছে। তবে খ্রীষ্টান বা ইহুদী মেয়েদের বিয়ে করতে পারবে।সেক্ষেত্রে অবশ্যই যত তারাতাড়ি সম্ভব ঔ মেয়েকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে। এই মধ্...

জমি কিনার আগে দলিল জাল কি-না তা পরীক্ষা করে দেখা প্রত্যেক ক্রেতার উচিত। জেনে নেই।

জমি কিনার আগে দলিল জাল কি-না তা পরীক্ষা করে দেখা প্রত্যেক ক্রেতার উচিত। কিভাবে পরীক্ষা করবেন তা নিম্নে আলোচনা করা হলো- ১. সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে লেখা হয়ে থাকে। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ থাকলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। ২. একটি জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। সেক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, সে সম্পর্কে তথ্য জানতে হবে। ৩. যেক্ষেত্রে স্বাক্ষর জাল কিনা সন্দেহ থাকে সেক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করে নিতে হবে। এ ছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়। খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অ...

নিজেকে যাচাই করুন

(Penal Code) ১। কোন অপরাধ সংঘটনের প্ররোচনার জন্য কোন শাস্তির উল্লেখ না থাকালে অপরাধমূলক কাজে সহায়তাকারীর শাস্তি কি হবে? ২। কোন ব্যক্তি মিথ্যা এজাহার করলে তার শাস্তির বিধান দন্ডবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে? ৩। কোন Judicial proceeding এ ইচ্ছাকৃত ভাবে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের শান্তির বিধান বর্ণিত হয়েছে The Penal code 1860 এর কতো ধারাতে? ৪। দণ্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনী সমাবেশ গঠনের জন্য কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন? ৫। Abetment বা অপরাধে সহায়তার সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে? ৬। দুষ্কর্মে/অপরাধে সহায়তার জন্য কয়টি উপাদান থাকে? ৭। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা বর্ণিত আছে? ৮। দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য শাস্তির বিধান বর্ণিত আছে? ৯। কোন সৈন্য বা নাবিক বা বৈমানিকের মাধ্যমে বিদ্রোহ অনুষ্ঠানে সাহায্য বা প্ররোচনা দিলে সর্বোচ্চ শাস্তি কি? ১০। সৈন্য বা নাবিক বা বৈমানিককে প্ররোচনা দিয়ে বিদ্রোহ সংঘটিত করলে সর্বোচ্চ শাস্তি? ১১। দণ্ডবিধির ১৪১ ধারায় কয়টি উদ্দেশ্যের কথাটি বর্ণিত আছে? ১২। দাঙ্গার সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায়? ১৩। দাঙ্গার শাস্তি ...

নামজারি কি? এবং কেনো নামজারি করা প্রয়োজন?

নামজারি কি? এবং কেনো নামজারি করা প্রয়োজন? সবারই জানা উচিত।।।। 👉 "নামজারি" হলো দলিলে উল্লেখিত সম্পত্তি আপনার নামে রেকর্ডভূক্ত করা। এক কথায় ‘'নামজারি" বলতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বৈধভাবে জমির মালিকানা অর্জন করলে সরকারি রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড (হালনাগাদ) করাকেই নামজারি বলে। কোন ব্যক্তির নামজারি সম্পন্ন হলে তাকে একটি খতিয়ান দেয়া হয় যেখানে তার অর্জিত জমির একখানি সংক্ষিপ্ত হিসাব বিবরণী উল্লেখ থাকে। উক্ত হিসাব বিবরণী/খতিয়ানে মালিকের নাম, কোন মৌজা, মৌজার নম্বর (জে এল নম্বর), জরিপের দাগ নম্বর, দাগে জমির পরিমান, একাধিক মালিক হলে তাদের নির্ধারিত হিস্যা ও প্রতি বছরের ধার্যকৃত খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। কিন্তু কেন নামজারি এত জরুরি। কারণ তার মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখিত- ১। শুধুমাত্র কোন দলিলের মাধ্যমে অর্জিত মালিকানার ভিত্তিতে অথবা ওয়ারিশ হিসেবে পিতা-মাতার জমিতে দখলসূত্রে থাকলেই সরকারি রেকর্ডে উক্ত ভূমিতে তাঁর মালিকানা নিশ্চিত হয় না। কোন ভূমিতে বৈধ ওয়ারিশ বা ক্রয়সূত্রে মালিক হবার পর পূর্বের মালিকের নাম হতে নাম কেটে বর্তমান মালিকের নাম অন...

আপনার শখের মোবাইল ফোনটি হারালে/ চুরি হলে কি করবেন?

মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া নতুন কোন ঘটনা না। প্রতিদিনই হারাচ্ছে কারো না কারো শখের মোবাইলটি। (আমার এপর্যন্ত ৩ টা ফোন চুরি হয়েছে।।) সেজন্য মোবাইল ফোনের ব্যাপারে সর্বদা সতর্ক থাকুন কারন একটি ফোন চুরি/ হারিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আপনি অনেক বড় বিপদে পড়তে পারেন, কারণ মোবাইল ফোনে প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর, ডকুমেন্টস, ছবি সহ অনেক তথ্যই থাকে। যাহা অন্যের হাতে চলে যাওয়া মানে আপনার বিপদের কারণও হতে পারে। যদি যথেষ্ট সতর্ক থাকার পরেও আপনার মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত তিনটি স্টেপ অনুসরণ করুনঃ ১) আইএম ই আই নম্বর এবং মোবাইলে যে সিম ব্যবহার করে ছিলেন তা উল্লেখ পূর্বক থানায় জিডি করুন; ২) জিডির এক কপি সহ র‌্যাবে অভিযোগ করুন। অনেকেই জানেন না যে, র‌্যাব পুলিশেরই একটি বিশেষ ইউনিট; ৩) জিডির কপিতে উল্লেখ করা অফিসারের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং তার মাধ্যমে ডিবি এর ট্র্যাকিং টিমের সহায়তা নিন; অনেক সময় দেখা যায় আইটিতে দক্ষ ব্যক্তি নিজেই ট্র্যাক করে বের করে ফেলেছেন মোবাইলের অবস্থান। এরকম হলে ডিবির জন্যে বসে থেকে লাভ নেই, লোকেশন সহ জিডিতে উল্লেখিত অফিসারের সহায়তা নিয়ে চোরকে ধরে ফেলা খুব সহজ হয়ে যায় । ...

চেকের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করছেন কি? জেনে নেন কি কারনে চেকের মামলা হয়?

চেকের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করছেন কি? জেনে নেন কি কারনে চেকের মামলা হয়? অথবা চেক ডিজঅনার হলে কি করবেন? বা চেকের মামলা দায়েরর পদ্ধতি: ব্যাংকে রাখা টাকা তুলতে হলে গ্রাহককে চেক লিখতে হয়। সেই চেক গ্রাহক বা অন্য কেউ ব্যাংকে দেবার পর ব্যাংক চেকে উল্লিখিত অংকের নগদ টাকা দেয়। আধুনিককালের ক্রেডিট কার্ড এবং ক্যাশ কার্ডকেও চেকের একটি বিশেষরূপ বলা যায়। চেক বিভিন্নভাবে লেখা যায়। যেমন- ১.বাহক চেক: এসব চেক যেকোন বাহক ভাঙাতে পারে। ২. ক্রস চেক বা একাউন্ট পেয়ী চেক: এসব চেকে প্রাপকের নাম লিখে দেয়া হয় এবং সরাসরি তাকে টাকা না দিয়ে তার একাউন্টে জমা করা হয়। পরে প্রাপক নিজের চেক বইয়ের মাধ্যমে টাকা তুলতে পারেন। ৩. অগ্রিম চেক: এধরনের চেকে অগ্রিম তারিখ লিখে দেয়া হয় এবং নির্ধারিত তারিখের আগে টাকা তোলা যায় না। চেক ডিজঅনার হওয়া: চেকে উল্লিখিত অংকের টাকা একাউন্টে না থাকলে ব্যাংকের পক্ষে টাকা দেয়া সম্ভব হয় না এবং চেক প্রত্যাখ্যান করা হয়, যা চেক ডিজঅনার হওয়া নামে পরিচিত। এই চেক ডিজঅনার যদি একাউন্টধারীর নিজের ক্ষেত্রে হলে সেটা কোন অপরাধ নয়। কিন্তু যদি এমন হয় যে একাউন্টধারী অন্য কাউকে চেক লিখে দিলেন এবং সেটি ব্যাংকে প্রত্...

বার কাউন্সিল প্রশ্ন সমাধান ২০২২

Image

Chance witness

Chance witness-: Chance witness হল এমন স্বাক্ষী যার সাধারনত ঘটনাস্থলে থাকার কথা না কিন্তু ঘটনাক্রমে সেইদিন যদি সে ঐ ঘটনাস্থলে থাকে এবং ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয়, তাহলে সেই witness-কে chance witness বলে। যেমন- একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিনই বাসা থেকে অফিসে যায়, কিন্তু কোনদিন যদি সেই নিজের বাসা থেকে না এসে বন্ধুর বাসা থেকে অফিসে যাওয়ার সময় তার সামনে কোন ঘটনা ঘটে। তাহলে সেই ঘটনার সাক্ষী হিসেবে তাকে Chance witness বলা হবে। রাজসাক্ষী (Approver)-: কোন গুরুতর অপরাধের ঘটনা উদঘাটনের সুবিধার্থে উক্ত ঘটনার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত কোন অপরাধী যদি প্রতিশ্রুতি দেয় যে, উক্ত অপরাধ সম্পর্কে তার যতটুকু জ্ঞান আছে ততটুকু সে পূর্ণাঙ্গ এবং সততার সাথে প্রকাশ করবে তাহলে এই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তির অপরাধ ক্ষমা করে তাকে সাক্ষ্য দেওয়ার সুযোগ দেন। এরূপ সাক্ষী কে রাজসাক্ষী বলা হয়।

ছানি মামলা (Mis case) কাকে বলে? ছানি মামলার সিদ্ধান্তকে কী বলে?

(দেওয়ানী কার্যবিধি) উত্তর: ছানি মামলা এক প্রকারের দেওয়ানি মামলা। মামলা খারিজ, ডিসমিস বা একতরফা হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ওই আদেশ বা ডিক্রি রদ করার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারেন। এই ধরনের আবেদনকে ছানি মামলা বলে। সাধারণত- (১) বাদী আদালতের সন্তুষ্টি মতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোর্ট ফি বা সমন জারির ডাকমাসুল দিতে না পারলে, (২) শুনানির দিনে বাদী হাজির না থাকলে, আদালত মামলা খারিজ করে দিতে পারেন। (৩) বিবাদী উপস্থিত না থাকলে আদালত মামলা এক তরফা ডিক্রি দিতে পারেন। # ছানি মামলার সিদ্ধান্তকে আদেশ বলে। # বাদী বা বিবাদি মামলা খারিজের আদেশ বা এক তরফা ডিক্রি রদ করার জন্য অনুপস্থিত থাকার সন্তোষজনক কারণ দর্শিয়ে আদালতে ৩০ দিনের মধ্যে আবেদন করতে পারেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন আইনের ডাউনলোড লিংক

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮

দন্ডবিধিতে মৃত্যুদন্ডের ধারাসমূহ-

Death sentence (মৃত্যুদণ্ড)- নিম্নোক্ত ধারায় যদি কেউ দোষি সাব্যস্ত হয় তবে তার সাজা হলো মৃত্যু দন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।  ১। (ধারা-- ১২১ ) - বাংলাদেশেরর বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়া বা লিপ্ত হওয়ার উদ্যোগ গ্রহন করা বা সহায়তা করা।  ২। ( ধারা ----১৩২) - বিদ্রোহে (সৈনিকদের) সহায়তা করা এবং এর ফলে বিদ্রোহ সংঘঠিত হলে।   ৩। ( ধারা-- ১৯৪) - মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার ফলে নির্দোষ ব্যাক্তি কে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হলে, যিনি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছেন তাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া যেতে পারে। ।  ৪। খুন ( ধারা- ৩০২)  ৫। (ধারা--৩০৩) -যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যাক্তি কতৃক খুন করিলে।  ৬। ( ধারা--৩০৫) - নাবলক উন্মাদ ব্যাক্তি কে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করলে এবং তার ফলে আত্মহত্যা করিলে।  ৭। ।(ধারা--৩০৭) - যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত ব্যাক্তি কতৃক যখম করে খুনের চেষ্টা করিলে ।  ৮।(ধারা---৩২৬ ক) এসিড জাতীয় পদার্থ দারা মুখ, মাথা বা উভয় চোখে গুরুতর যখম করিলে।  ৯। ( ধারা ---- ৩৬৪ ক) দশ বছরের নিচের কোন ব্যাক্তি কে খুন,গুরুতর আঘাত ইত্যাদি উদ্দেশ্য অপহরন বা বলপূর্বক অপহরন করলে। ...

ফৌজদারি মামলা সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের প্রক্রিয়া

ফৌজদারি কার্যবিধি -( ১৮৯৮ সালের ৫ নং আইন ) ফৌজদারি মামলা সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের প্রক্রিয়া। এবং কখন একটি CR মামলা GR মামলায় রুপান্তরিত হয় ? আমলী আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট ১৯০ ধারায় CR মামলা দায়ের করতে হয়। ম্যাজিস্ট্রেট ২০০ ধারায় ফরিয়াদির / বাদীর জবানবন্দী রেকর্ড করেন, সাথে সাক্ষীদেরও যদি উপস্থিত থাকে । বাদী এবং সাক্ষী গণের শপথ গ্রহণ পূর্বক জবানবন্দি দিবেন । ম্যাজিস্ট্রেট বাদীর বক্তব্যের সারাংশ লিপিবদ্ধ করেন এবং সন্দেহ না হলে বাদীর স্বাক্ষর নিবেন , নিজেও স্বাক্ষর করেন এবং ১৯০ ধারায় মামলাটি আমলে নিয়ে থাকেন। বাদীর বক্তব্যে সন্দেহ সৃষ্টি হলে অতিরিক্ত তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ২০২ ধারায় তদন্তের আদেশ দিয়ে থাকেন। মামলাটি গ্রহণ করলে ২০৪ ধারায় আসামিকে সমন এর আদেশ দিয়ে থাকেন। এমনকি আদালত মনে করলে ১৫৬(৩) ধারায় থানার OC কে FIR হিসেবে মামলাটি রুজু করার আদেশ দিতে পারেন। তখন সেটি GR মামলা হয়ে যাবে।