Posts

Showing posts from July, 2023

পড়াশোনায় দ্রুত Improve করার ১০টি সিক্রেট টিপস!

১। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠুন। ফলে আপনি অন্যদের থেকে বেশি সময় পাবেন পড়াশোনার জন্য। . ২। প্রতিদিন নতুন নতুন কিছু না কিছু শিখুন। এটি আপনাকে অন্যদের চেয়ে দিন দিন এগিয়ে নিয়ে যাবে। . ৩। আগামীকাল কী পড়বেন তা আগের দিন প্ল্যান করে আলাদা খাতায় লিখে রাখুন এবং পরের দিন সেই প্ল্যান অনুযায়ী পড়ুন। ভাগ ভাগ করে পড়লে পড়তে ভালো লাগবে। (খাতার নাম দিতে পারেন "স্টাডি প্ল্যান খাতা") . ৪। প্রতি সপ্তাহ ও মাসে কোন কোন সাবজেক্ট বা বই শেষ করবেন তা প্ল্যান করে খাতায় লিখে রাখুন। এতে করে দ্রুত কোনো বই বা সাবজেক্ট শেষ করতে পারবেন। . ৫। কঠিন বিষয়গুলো প্রতিদিন অল্প অল্প করে পড়ুন এবং লিখে লিখে হালকা শব্দ করে পড়ার চেষ্টা করুন। এতে করে কঠিন বিষয়গুলো খুব ভালো করে শেখা হবে এবং বেশি দিন মনে থাকবে। . ৬। যে কোনো বিষয়ে কন্সেপ্ট ক্লিয়ার করে পড়ুন। নিজে নিজে না বুঝলে অন্যের সাহায্য নিন। না বুঝে কোনো কিছু মুখস্থ করবেন না এবং পড়ার সময় পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন। . ৭। মোবাইল, ইন্টারনেট, ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ইমোতে কম সময় ব্যয় করুন। এতে করে আপনার পড়ায় ...

আন্তর্জাতিক বিরোধ বলতে কি বুঝায়? জাতিসংঘ সনদে বিরোধ মীমাংসার বিভিন্ন পদ্ধত

আন্তর্জাতিক বিরোধ বলতে কি বুঝায়? আন্তর্জাতিক বিরোধ ( International Dispute) কাকে বলেঃ মূলতঃ আন্তর্জাতিক বিরোধের কোন সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনে দেওয়া হয় নি। তবে সাধারণ পর্যালোচনায় বলা যায়- দুই বা ততোধিক স্বাধীন দেশের মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে তাকে আন্তর্জাতিক বিরোধ বলে। ভূমিকাঃ কোন দাবী আদায়ের একটি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অবরোধ। এটি কখনো বৈধ আবার কখনো অবৈধ হিসেবে গণ্য হয়। কোন রাষ্ট্র অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে অবরোধ করা যায় । কিন্তু অন্যায় না করলে কোন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবরোধ করা যায় না। এরূপ করলে বেআইনী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। আন্তর্জাতিক বিরোধ ( International Dispute) কাকে বলেঃ মূলতঃ আন্তর্জাতিক বিরোধের কোন সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনে দেওয়া হয় নি। তবে সাধারণ পর্যালোচনায় বলা যায়- দুই বা ততোধিক স্বাধীন দেশের মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে তাকে আন্তর্জাতিক বিরোধ বলে। জাতিসংঘ সনদে বিরোধ মীমাংসার বিভিন্ন পদ্ধতিঃ জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী দুইটি পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসা করা হয়। (১) শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধ মীমাংসা, (২) বাধ্যতামূলকভাবে বিরোধ মীমাংসা। নিম্নে এগুলি...

আন্তর্জাতিক আইনের বৈশিষ্ট্য, উৎস, পরিধ

আন্তর্জাতিক আইনের বৈশিষ্ট্য আন্তর্জাতিক আইন বিশ্বের সকল রাষ্ট্র ও সংগঠনের সম্পর্ক নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ করে। রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংগঠন এর বিষয়বস্তু। পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদের সম্মতিতে এ আইন প্রণীত হয় এবং রাষ্ট্রসমূহের সম্মতিতে তার প্রতিফলন ঘটে। রাষ্ট্রীয় আইনের মত আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণকারী কোন সংস্থা নেই। রাষ্ট্রসমূহকে স্থায়ী ব্যবস্থায় কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হয়। এ পদক্ষেপ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক পদক্ষেপ হতে পারে। আন্তর্জাতিক আইনের উৎস মূল নিবন্ধ: আন্তর্জাতিক আইনের উৎস আন্তর্জাতিক আইনের উৎস দুই রকম: বস্তুগত ও অবস্তুগত। একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিতে সার্বভৌম রাষ্ট্রের সাধারণ সম্মতি সৃষ্টি হয়। এ সাধারণ সম্মতি আন্তর্জাতিক আইনের মূল ভিত্তি। রাষ্ট্রসমূহের এ সাধারণ সম্মতি আন্তর্জাতিক আইনকে বৈধতা দান করে। সুতরাং আন্তর্জাতিক আইন পালনের মূলসূত্র হিসেবে সাধারণ সম্মতিকে ধরে নিয়ে "জনগণের ইচ্ছা" যা রাষ্ট্রসমূহের সমন্বিত ইচ্ছা দ্বরা প্রতিফলিত হচ্ছে, তাকে আন্তর্জাতিক আইনের আনুষ্ঠানিক উৎস বলা হয়। আবার যেসব বিষয় বা বস্তু আন্তর্জা...

আন্তর্জাতিক আইনের প্রকারভেদ: আন্তর্জাতিক আইনের প্রকৃতি বা আন্তর্জাতিক আইন কি আইন পদবাচ্য?আন্তর্জাতিক আইনের পথে প্রতিবন্ধকতা

আন্তর্জাতিক আইনের প্রকারভেদ: পৃথিবীর রাষ্ট্রগুলির মধ্যে স্বাভাবিক বা যুদ্ধকালীন সকল সময়েই ন্যায়সঙ্গত ও সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তিন ধরনের আন্তর্জাতিক আইন পরিলক্ষিত হয়: শান্তিকালীন আইন (Law of Peace), যুদ্ধসংক্রান্ত আইন (Law of War) এবং নিরপেক্ষতার আইন (Law of Neutrality)। এগুলি সবই সরকারী আন্তর্জাতিক আইন (Public International Law) হিসাবে গণ্য হয়। স্বাভাবিক অবস্থায় যে সকল আন্তর্জাতিক আইন রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে সেগুলিকে শান্তিকালীন আন্তর্জাতিক আইন বলে। বিবদমান রাষ্ট্রগুলি যুদ্ধের সময়ে যে সকল নিয়ম মান্য করে চলে সেগুলিকে যুদ্ধসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন বলা হয়। বিবদমান রাষ্ট্রগুলি সম্পর্কে পুরোপুরি নিরপেক্ষতা অবলম্বন সংক্রান্ত আইনকে নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক আইন বলে। তা ছাড়া আর এক ধরনের আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন আছে যা এক রাষ্ট্রের নাগরিকের সঙ্গে অন্য রাষ্ট্র বা তার নাগরিকের সমস্যাদি মীমাংসা করে। এগুলিকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক আইন (Private International Law) বলে। অবৈধ সন্তানের অধিকার, বিবাহ বিচ্ছেদ প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কিত আইন ব্যক্তিকেন্দ্রিক আন্তর্...

আন্তর্জাতিক আইনের পটভূমি, আন্তর্জাতিক আইনের বিভিন্ন উৎস:

আন্তর্জাতিক আইনের পটভূমি: বর্তমান বিশ্বে কোন রাষ্ট্রই স্বয়ংসম্পূর্ণ বা আত্মনির্ভরশীল নয়। প্রতিটি রাষ্ট্রই অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে আর্থনীতিক রাজনীতিক, সাংস্কৃতিক প্রভৃতি বহুবিধ পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে এই পারস্পরিক সম্পর্ক অবাধ হতে পারে না। ল্যাস্কির মতানুসারে বর্তমানে রাষ্ট্রগুলি পরস্পরের উপর এত বেশী নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে যে, কোন রাষ্ট্র অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতার অধিকারী হলে তা অন্যান্য রাষ্ট্রের শান্তির পক্ষে বিপজ্জনক হয়ে পড়বে। তিনি বলেছেন: “The world has become so interdependent that an unfettered will in any State is fatal to the peace of other States." তাই আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শান্তি ও শৃঙ্খলার স্বার্থে রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রিত হওয়া আবশ্যক। এই প্রয়োজনের তাগিদেই আন্তর্জাতিক আইনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা: যে সকল নিয়মকানুন সভ্য রাষ্ট্রসমূহের পারস্পরিক ব্যবহারকে নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণভাবে সেগুলিকেই আন্তর্জাতিক আইন বলে। লরেন্স বলেছেন: “The rules which determines the...

JudicialReview কী?

সর্বপ্রথম Marbury vs Madision (১৮০৩ ) মামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানে জুডিসিয়াল রিভিউ সংযুক্ত করা হয়। জুডিসিয়াল রিভিউ (Judicial Review) : পার্লামেন্ট কোন আইন তৈরি করলে তা যদি সংবিধান কিংবা সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয় তাহলে সুপ্রীমকোর্ট উক্ত আইন, আইনের অংশবিশেষ বে-আইনী ঘোষণা করতে পারে। এই বেআইনী ঘোষণা করার ক্ষমতাকেই বলে বিচারিক পর্যালোচনা (judicial review ) । যেমন- পার্লামেন্ট আইন তৈরি করলো যে খুনের বদলা হিসেবে খুন জায়েজ। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালত দেখলো এটি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের চরম লংঘন। কেননা অনুচ্ছেদ ৩১-এ বলা আছে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার এবং অনুচ্ছেদ ৩২-এ বলা আছে জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার। অর্থাৎ কেউ খুন করলে তার বিচার হবে সাক্ষ্য প্রমাণের মাধ্যমে। ফলে আদালত ঘোষণা করতে পারে যে পার্লামেন্ট যে আইন পাশ করেছে তা সংবিধান ও ন্যায় বিচারের পরিপন্থী এবং এজন্য এই আইন অবৈধ ও বাতিল।

আন্তর্জাতিক আইন কি? আন্তজার্তিক আইনের উৎসসমূহ আলোচনা কর। আন্তজার্তিক আইনে উৎস হিসাবে উদাহরণ সহ আইনের সাধারণ নীতিসমূহ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: আইনের যেমন সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞা নেই, আন্তজার্তিক আইনের সংজ্ঞা প্রদানেও আইনবিজ্ঞানীগণও ঐক্যমত্যে উপনীত হতে পারেননি, কেননা বিভিন্ন সময়ে , বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আইনবিজ্ঞানীগণ একে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণ করেছেন। সাধারণভাবে আন্তর্জাতিক আইন বলতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের সমন্বয়ে সৃষ্ট আইন, যা এক রাষ্ট্র বা জাতির সাথে অন্য রাষ্ট বা জাতির সম্পর্ক নির্ধারণ করে।আন্তর্জাতিক আইন কোন একক রাষ্ট্রের সৃষ্টি নয়। এ আইন বিভিন্ন রাষ্ট্রের ঐকমত্য ও অংশগ্রহনের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় এবং তা প্রত্যেক রাষ্ট্রের নিজস্ব স্বার্থ,সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অন্য রাষ্ট্রের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সৃষ্ট।প্রত্যেক রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন শ্রদ্ধার সাথে মেনে চলতে দায়বদ্ধ।প্রধানত দুই বা ততোধিক রাষ্ট্রের সার্থে সৃষ্ট সন্ধি চুক্তির মাধ্যমে এ আইনের সৃষ্টি। চুক্তিভুক্ত রাষ্ট্র গুলো এ আইন মেনে চলতে বাধ্য। তবে অনেক ক্ষেত্রে এ ব্যতিক্রমও দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় আইন থেকে আন্তর্জাতিক আইন চারিত্রিক দিক থেকে পৃথক; এ আইন জনগণের জন্য নয়,রাষ্ট্রের জন্যঘোষিত। আন্তজার্তি আইন নিশ্চিত করার জন্য বেশ কয়েকটি সংস্থা গঠিত হয়েছে এবং কয়েকটি ঘোষণা কনভ...

আন্তর্জাতিক আইন বলতে কী বুঝ? এর ভিত্তি কি?

প্রশ্নঃ আন্তর্জাতিক আইন কাকে বলে? এর ভিত্তি কি? অথবা, আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা দাও। অথবা, আন্তর্জাতিক আইন বলতে কী বুঝ? ভূমিকাঃ শান্তি চায় না এমন কোন মানুষ বা জাতি নেই। সকল জাতি ও সকল মানুষের একান্ত কাম্য হলাে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। তারপরও বিভিন্ন কারণে যুদ্ধ-বিগ্রহ আরম্ভ হয়। ইতিমধ্যে দু'টি বিশ্বযুদ্ধও অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় জাতিসংঘ। প্রতিষ্ঠার পর জাতিসংঘ ঘােষণা করে যে, বিভিন্ন রাষ্ট্রের বৈধতা বা আচার আচরণের মাপকাঠি হবে আন্তর্জাতিক আইন। আন্তর্জাতিক আইন (International Law) কাকে বলেঃ বিভিন্ন আইনবিদগণ আন্তর্জাতিক আইন সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেছেন। অধ্যাপক ওপেনহাম এর মতে, আন্তর্জাতিক আইন বলতে প্রথাযুক্ত আইনের সমষ্টি ও সন্ধির সমষ্টিকে বােঝায় যার ভিত্তিতে সভ্য দেশগুলাের পারস্পরিক কাজে আইনগত বাধ্যবাধকতার সৃষ্টি করে। অধ্যাপক হল এর মতে, আন্তর্জাতিক আইন বলতে এমন কিছু নিয়মাবলীকে বােঝায় যা আধুনিক রাষ্ট্রসমূহ তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের বিষয়ে অবশ্য পালনীয় বলে গ্রহণ করে। সুতরাং বলা যায়, ন্যায়-নীতি ও আন্তর্জাতিক শান...