কারফিউ আর ১৪৪ ধারার মধ্যে পার্থক্য কী?

কারফিউ এবং ১৪৪ ধারা– এই দুটো আইনের প্রয়োগই হয় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে। তবে এর প্রয়োগ হয় ভিন্ন দুইটি আইনে। কারফিউ জারি করা হয় ১৯৭৪ সালে প্রণীত বিশেষ ক্ষমতা আইনে আর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় বাংলাদেশের ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮-এর মাধ্যমে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দুটো আইনের মধ্যে কারফিউ বেশি ‘স্ট্রিক্ট’ বা কঠোর। “বিশৃঙ্খলা হবার সম্ভাবনা থাকলে কর্তৃপক্ষ ১৪৪ ধারায় পাঁচ জনের বেশি মানুষরে জমায়েত নিষিদ্ধ করতে পারে। তারপরও কেউ চেষ্টা করলে পুলিশকে ওই জমায়েত ভঙ্গ করার ক্ষমতা দেয়া হয়। আর কারফিউ আরও কড়া। এতে সবার জন্য ঘর থেকে বের হওয়া নিষিদ্ধ থাকে,” বলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক। অর্থাৎ জনসাধারণ জড়ো হবার ফলে যদি কোথাও মারামারি বা দাঙ্গা বেঁধে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয় তবে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন। অন্যদিকে, কারফিউ দেয়া হলে নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সার্বিকভাবেই চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এসময় বিনা প্রয়োজনে নাগরিকরা ঘরের বাইরে বের হতে পারে না। বন্ধ থাকে অফিস-আদালত ও কলকারখানা। বিবিসি

Comments

Popular posts from this blog

বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (The Penal Code, 1860)অধ্যায় (Chapters) অনুযায়ী পূর্ণ তালিকা

ছানি মামলা (Mis case) কাকে বলে? ছানি মামলার সিদ্ধান্তকে কী বলে?

পুলিশি বা জিআর মামলা বিভিন্ন ধাপ (সংক্ষিপ্ত):